ডাটা এন্ট্রিঃ
ডাটা এন্ট্রির কাজগুলো সাধারণত
তুলনামূলকভাবে সহজ হয়। এট্রির কাজগুলোর সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে যে একটু বুঝিয়ে
দিলে সবাই এগুলো করতে পারে। এ কাজের জন্য কোন দক্ষতার প্রয়োজন হয় না। যারা
ইন্টারনেটের কাজ খুঁজছেন অথচ প্রোগ্রামিং অথবা ডিজাইনিং জানেন না তাদের জন্য ডাটা
এট্রির হতে পারে একটি উৎকৃষ্ট আয়ের মাধ্যম। ডাটা এট্রির কাজগুলো বিভিন্ন রকমের হয়ে
থাকে।
ডাটা এট্রি বলতে মুলত টাইপ করা বুঝায়। কাগজে লেখা আছে সেটা দেখে টাইপ করে
ডিজিটাল ফাইল তৈরি করবেন। যে কাজগুলি স্ক্যান করে ডিজিটাল করা যায় না সেগুলিই
এখানে টাইপ করতে হয়। বর্তমানের ডাটা এন্ট্রির কাজের মধ্যে রয়েছে বিশেষ কিছু শর্ত।
যেমন লেখাকে ওয়ার্ড ডকুমেন্ট বা এক্সেল ডকুমেন্ট কিংবা ডাটাবেজ ফাইল বানাতে হবে।
সাধারণত আপনাকে দেয়া হবে পিডিএফ ফাইল। সেটা টাইপ করা, প্রিন্ট করা ফরম, হাতের লেখা
স্ক্যান করা ইত্যাদি যে কোন কিছুই হতে পারে। বর্তমানে ডাটা এট্রি বলতে মুলত পিডিএফ
ফাইল দেখে টাইপ করাই বুঝায়। কখনো কখনো এমন কাজ পেতে পারেন যেখানে হয়ত পিডিএফ থেকে অন্য ফরম্যাটে নেয়ার সফটওয়্যার ব্যবহার করে মূল কাজ করা যায়, তাহলেও আপনাকে টাইপ করতে হবে এটা ধরে নেয়াই ভাল। তাছাড়া ডাটা এন্ট্রির আরেক ধরনের কাজ হলো বিভিন্ন সাইট হতে ডাটা সংগ্রহ করে তা শ্রেণীবদ্ধ করা, আবার হতে পারে ভিডিও বা অডিও ফাইল দেখে বা শুনে তা ডকুমেন্ট তৈরি করা। নিচে কিছু ডাটা এন্ট্রি কাজের কিছু বৈশিষ্ট্য তুলে ধরা হলো যার মাধ্যমে সহজে এই সম্পর্কে অবগত হবেন।
আপনারা চাইলে শুধু ক্যাপচা এন্ট্রি করে
মাসে হাজার হাজার টাকা আয় করতে পারবেন। তবে তার জন্য আপনাকে অবশ্যই একটি সঠিক
সাইটে কাজ শিখতে হবে। কারণ ডাটা এন্ট্রির মধ্যে সবচেয়ে সহজ যে কাজ তাহলো ক্যাপচাএন্ট্রি।
২। সার্চিং: এই ধরনের কাজে বায়ারের
রিকোয়ারমেন্ট হচ্ছে ইন্টারনেটে সার্চ করে একটি নির্দিষ্ট সাইট থেকে একটি নির্দিষ্ট
বিষয়ের উপর বিভিন্ন ধরনের তথ্য প্রদান করা। যেমন-যুক্তরাষ্টের একটি নির্দিষ্ট
শহরের বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নাম, ঠিকানা, ফোন নাম্বার ইত্যাদি তথ্য
প্রদান করা।বায়ার এই তথ্যগুলো পরবর্তীতে বিভিন্ন ধরনের মার্কেটিং কাজে ব্যবহার
করবে। এই প্রজেক্টটি সম্পন্ন করতে প্রকৃতপক্ষে ইন্টারনেটে উক্ত বিষয়ের উপর সার্চ
করতে হবে এবং প্রাপ্ত তথ্য একটি এক্সেল ফাইলে সেইভ করে বায়ারকে প্রদান করতে হবে।
৩।ওয়েবসাইট থেকে ডাটা সংগ্রহ করাঃ
এই ধরনের কাজে বায়ার কয়েকটি ওয়েবসাইটের
তথ্য দিয়ে দিবে। প্রোভাইডার হিসেবে আপনার কাজ হবে ওই সাইটগুলো থেকে নির্দিষ্ট কিছু
ডাটা আরেকটি ওয়েবসাইটের ফরমের মধ্য সেইভ করা। এই কাজটি করার জন্য কোন বিশেষ
অভিজ্ঞতার প্রয়োজন নেই, শুধুমাত্র কপি এবং পেস্ট করা জানলেই হবে।
৪। অডিও ট্রান্সক্রিপশনঃ
এই ধরনের কাজে বায়ার
পূর্বে রেকর্ডকৃত কয়েকটি অডিও ফাইল দিবে। আপানার কাজ হবে অডিও শুনে ইংরেজিতে একটি
ফাইলে লেখা বা প্রতিলিপি তৈরি করা।এই কাজের জন্য ইংরেজিতে অবশ্যই পারদর্শী হতে হবে।
৫। ডকুমেন্ট কনভার্শনঃ এই ধরনের কাজে আপনাকে
PDF ফরমেটের একটি ডকুমেন্ট ফাইল দেয়া হবে। আপনার কাজ হবে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে এই
লেখাগুলো হুবহু প্রতিলিপি করা অর্থাৎ পিডিএফ এর লেখাটির ফরমেট, ছবি, ফুটনোট
ইত্যাদি অপরিবর্তিতভাবে ওয়ার্ড ফাইলে প্রতিস্থাপন করা। আর আপনারা চাইলে এই সহজ
কাজটি একটি সফটওয়ারের মাধ্যমে করতে পারেন।
৬। ক্লাসিফাইড এড লিস্টিংঃ
এই ধরনের কাজে
একটি ক্লাসিফাইড বা শ্রেণিবদ্ধ বিজ্ঞাপনের ওয়েবসাইটে নতুন নতুন বিজ্ঞানপ যোগ করা।
এজন্য Craigslist, Amazon, Ebay ইত্যাদি সাইট থেকে বিভিন্ন ধরনের পণ্যের তথ্য ওই
ওয়েবসাইটিতে যোগ করতে হবে এবং একটি এক্সেল স্প্রেডশীট ফাইলে এই তথ্যগুলো সংরক্ষণ
করতে হবে। তারপর পণ্যটির বিক্রেতার কাছে ই-মেইল করে তাকে ওয়েবসাইট সম্পর্কে জানাতে
হবে।
সাধারণত ডাটা এন্ট্রির কাজগুলো পাওযা যায় –
1. Freelancer site:(www.freelancer.com)
2. oDesk site : (www.odesk.com)
3. Scriptlance site : (www.scriptlance.com)
4. Getacode site : (www.getacoder.com)
5. Vworker site : (www.vworker.com)
এছাড়াও বর্তমানে আরো বিভিন্ন সাইটে ডাটা এন্ট্রির বহু কাজ পাওয়া যায়।

















0 comments